তব মুখখানি খুঁজিয়া ফিরি গো সকল ফুলের মুখে

তব মুখখানি খুঁজিয়া ফিরি গো সকল ফুলের মুখে
ফুল ঝ’রে যায় তব স্মৃতি জাগে কাঁটার মতন বুকে।।
তব প্রিয় নাম ধ’রে ডাকি
ফুল সাড়া দেয় মেলি’ আঁখি
তোমার নয়ন ফুটিল না হায় ফুলের মতন সুখে।।
তোমার বিরহে আমার ভুবনে ওঠে রোদনের বাণী,
কানাকানি করে চাঁদ ও তারায় জানি গো তোমারে জানি।
খুঁজি বিজলি প্রদীপ জ্বেলে’
কাঁদি ঝঞ্ঝার পাখা মেলে’
অন্ধ-গগনে আঁধার মেঘের ঢেউ ওঠে মোর দুখে।।

Categories

তব চঞ্চল আঁখি কেন ছলছল হে

তব চঞ্চল আঁখি কেন ছলছল হে।
হেরি মোরা অবিরল জলে ভাসে কমল
হেরি আজি কমলে উথলে জল হে।।
চিরদিন কাঁদায়েছে যে জল নিঠুর
আজি অশ্রু করেছে তারে একি সুমধুর
বঁধু সাধ যায় ধরি তব সমুখে মুকুর
যেন বরষিছে চাঁদ মুকুতাদল হে।
কোন অকরুণা ভাঙিল হে পাষাণের বাঁধ
তব কলঙ্ক লেখা গেল ধুয়ে যে হে চাঁদ।
কাঁদ কাঁদ হে বঁধু তবে বুঝিবে মনে
কত বেদনা পেলে জল ঝরে নয়নে
আজি কাঁদিয়া শ্যামল হ’লে নির্মল হে।।

Categories

তব গানের ভাষায় সুরে বুঝেছি বুঝেছি বুঝেছি

তব গানের ভাষায় সুরে বুঝেছি বুঝেছি বুঝেছি
এত দিনে পেয়েছি তারে আমি যারে খুঁজেছি।।
ছিল পাষাণ হয়ে গভীর অভিমান
সহসা, এলো সহসা আনন্দ-অশ্রুর বান।
বিরহ-সুন্দর হয়ে সেই এলো
দেবতা বলে যাঁরে পুজেছি
বুঝেছি বুঝেছি বুঝেছি।।
তোমার দেওয়া বিদায়ের মালা পুন প্রাণ পেল প্রিয়
হ’য়ে শুভদৃষ্টি মিলন-মালিকা বুকে ফিরে এলো – এলো প্রিয়।
যাহারে নিষ্ঠুর বলেছি
নিশীথে গোপনে কেঁদেছি
নয়নের বারি হাসি দিয়ে মুছেছি
বুঝেছি বুঝেছি বুঝেছি।।

Categories

ডেকে ডেকে কেন তারে ভাঙালি ঘুমের ঘোর

ডেকে ডেকে কেন তারে ভাঙালি ঘুমের ঘোর
কেন ভাঙালি
স্বপনে মোর এসেছিল, সখি, স্বপন কুমার মনচোর
কেন ভাঙালি ঘুমের ঘোর॥
সে যেন লো পাশে ব’সে কহিল হেসে হেসে
‘যাব না আর পরদেশে, সখি, মোছ মোছ আঁখিলোর’॥
দেখালো তার হৃদয় খুলি’, কহিল : ‘হের প্রিয়ে
তোমার অধিক ব্যথা হেথায় তোমারে ব্যথা দিয়ে।’
জানি না মোর হিয়ার চেয়েও অধিক ক্ষত তার হৃদয়
সে হৃদয়ে আমার ছবি, সকল হিয়া আমি-ময়।
তাহার জীবন-মালারি মাঝে, সখি, আমি যেন সোনার ডোর॥
আমি কহিনু, বুঝেছি সখা তোমার এ দুখ দেওয়ার ছল,
ভালোবাসার ফুল না শুকায় তুমি তাই চাহ মোর চোখেরই জল’।
জেগে দেখি কেঁদে কেঁদে, সখি, ভিজেছে বুকের আঁচল॥

Categories

ডাকতে তোমায় পারি যদি আড়াল থাকতে পারবে না

ডাকতে তোমায় পারি যদি আড়াল থাকতে পারবে না
এখন আমি ডাকি তোমায় তখন তুমি ছাড়বে না।।
যদি দেখা না পাই কভু-
সে দোষ তোমার নহে প্রভু
সে সাধনায় আমারি হার জানি তুমি ছাড়বে না।।
বহু লোকের চিন্তাতে মোর বহু দিকে মন যে ধায়,
জানি জানি, অভিমানী পাইনে আজ তাই তোমায়।
বিশ্ব, ভুবন ভুলে যেদিন
তোমার ধ্যানে হব বিলীন,
সেদিন আমার বক্ষ হতে চরণ তোমার কাড়বে না।।

Categories

ডেকে ডেকে কেন তারে ভাঙালি ঘুমের ঘোর

ডেকে ডেকে কেন তারে ভাঙালি ঘুমের ঘোর
কেন ভাঙালি
স্বপনে মোর এসেছিল, সখি, স্বপন কুমার মনচোর
কেন ভাঙালি ঘুমের ঘোর॥
সে যেন লো পাশে ব’সে কহিল হেসে হেসে
‘যাব না আর পরদেশে, সখি, মোছ মোছ আঁখিলোর’॥
দেখালো তার হৃদয় খুলি’, কহিল : ‘হের প্রিয়ে
তোমার অধিক ব্যথা হেথায় তোমারে ব্যথা দিয়ে।’
জানি না মোর হিয়ার চেয়েও অধিক ক্ষত তার হৃদয়
সে হৃদয়ে আমার ছবি, সকল হিয়া আমি-ময়।
তাহার জীবন-মালারি মাঝে, সখি, আমি যেন সোনার ডোর॥
আমি কহিনু, বুঝেছি সখা তোমার এ দুখ দেওয়ার ছল,
ভালোবাসার ফুল না শুকায় তুমি তাই চাহ মোর চোখেরই জল’।
জেগে দেখি কেঁদে কেঁদে, সখি, ভিজেছে বুকের আঁচল॥

Categories

ডাকতে তোমায় পারি যদি আড়াল থাকতে পারবে না

ডাকতে তোমায় পারি যদি আড়াল থাকতে পারবে না
এখন আমি ডাকি তোমায় তখন তুমি ছাড়বে না।।
যদি দেখা না পাই কভু-
সে দোষ তোমার নহে প্রভু
সে সাধনায় আমারি হার জানি তুমি ছাড়বে না।।
বহু লোকের চিন্তাতে মোর বহু দিকে মন যে ধায়,
জানি জানি, অভিমানী পাইনে আজ তাই তোমায়।
বিশ্ব, ভুবন ভুলে যেদিন
তোমার ধ্যানে হব বিলীন,
সেদিন আমার বক্ষ হতে চরণ তোমার কাড়বে না।।

Categories

টিকি আর টুপিতে লেগেছে দ্বন্দ্ব বচন যুদ্ধ ঘোর

টিকি আর টুপিতে লেগেছে দ্বন্দ্ব বচন যুদ্ধ ঘোর
কে বড় কে ছোট চাই মীমাংসা, কার আছে কর-জোর॥
টিকি বলে শিরে আমি বিরাজিলে হয় আহা কিবা শোভা।
যেন প্রকান্ড কুষ্মান্ডের বৃন্তটি মনোলোভা।
এ যে চতুর্বর্গ ফলেরি বোঁটা।
শুনে টুপি ফিক্ ক’রে হেসে বল্লেঃ ‘ভায়া, শিরে বিরাজ করবার
শোভার কথা যদি বল তো ও বড়াই আমারি মুখে মানায়,
ও বড়াই আমার মুখে মানায়।’
আমি বাঁকা হয়ে যবে শিরে বসি, দেখে বিবিরা মূর্ছা যায়॥
টিকি বলে, মোরে বলে চৈতন্ কভু বা আর্কফলা
আর আমারি প্রসাদে প্রণামীটা মেলে দুটি বেলা চাল-কলা॥
(মেলে দাদা) দুটি বেলা চাল-কলা॥
[শুনে বাদশাহী চালে টুপি বল্লেঃ ‘আরে তোবা তোবা
চাল আর কলা? ওসব আবার খাদ্য নাকি হে? এ্যাঁ?]
বাদশাহী চালে টুপি বলে ওসব খাদ্য নাকি?
দেখো, আমারি দোয়ায়, আহা তোফা জুটে যায়, গোস্ত ও রামপাখি।
টিকি বলে মিয়া, আমার কৃপায় স্বর্গে free pass মেলে
(আর) আমারঃ through দিয়ে মগজে বুদ্ধি electricity খেলে
মিয়া আমার কৃপায় স্বর্গে free pass মেলে।
এ যে পারে যাবার টিকিট – শুধু টিকিট নয়।
[শুনে টুপি রেগে কাঁই, বল্লেঃ]
বেহেশ্‌তে মোর একচেটে অধিকার
কাফেরের তরে no admission খোদার ইস্তাহার।
(এই রূপে) ক্রমশঃ তর্ক বাড়িল ভীষণ বচনে বেজায় দড়,
এ উহারে কয় মোর ঠাঁই উঁচু তুমি বাপু স’রে পড়॥
সহসা মুন্ড ছিন্ন হইল শক্র কৃপাণ ঘায়।
টুপি আর টিকি একই সঙ্গে ভূঁয়ে গড়াগড়ি যায়॥

Categories

টারালা টারালা টারালা টা টারালা টারালোল্লা

টারালা টারালা টারালা টা টারালা টারালোল্লা
নাচে শুটকী শুকনো সাহেবকে ধ’রে মুটকি মিস আরসোল্লা।
হা-হা- হা-হা- হা ।।
খুরওয়ালা জুতা পরে খটখট ঠেংরী নাড়ে
চাবুক খেয়ে জোড়া ঘোড়ায় যেন পেছলি ঝাড়ে!
দেখে পাদ্রি, পুরুত, মোল্লা বাবাজী কাছা খোল্লা।
আর বাবাজী কাছা খোল্লা।।
দেখে আণ্ডাওয়ালা ভাবে বুঝি খেল ডাণ্ডাগুলি
হা গণ্ডার মার্কা ষণ্ডা বিবি খেল ডাণ্ডাগুলি
হা ভাব-আবেশের নয়ন তাহার হলো নয়ান ঝুলি;
নেকু বাবুর ঢেকুর ওঠে পেটে মেকুর আচড়ায়!
কাল্লু ভাবে মেম পালোয়ান সাহেবকে বুঝি পাছড়ায় । ( হায় হায় হায়)
যতো কাবলিওয়ালা মাউড়া সব হো গিয়া ভাই বাউড়া
মোষের গাড়োয়ান প্রেম-রসে হলো রসগোল্লা।।

Categories

টলমল্ টলমল্ টলে সরসী

টলমল্ টলমল্ টলে সরসী
জল নিতে এলে কি গো ষোড়শী।।
হেরিয়া তোমার রাঙা পদতল
ফুটিল প্রেমের কুমুদ কমল
খেলিছে চঞ্চল তরঙ্গ-দল ল’য়ে তব কলসি।।
হেরি’ তোমার নীলাম্বরী কাজল-আঁখি
হলো কাজ্‌লা দীঘির জল সুনীল না-কি!
হাতে শাপলা মৃণাল দিয়ে বাঁধে রাখি
নাচে লীলায়িত ঢেউ তব তনু পরশি’।।

Categories